নারীদের ভয়ংকর দশটি গুনাহের মধ্যে নবম এই:-
অন্য নারীর সাথে কথা বন্ধ রাখা।
শয়তানের পদক্ষেপসমূহের মধ্য হতে
একটা পদক্ষেপ হলাে, মুসলমানদের
মধ্যকার মুহাব্বতকে ছিন্ন করা। সুতরাং যারা শয়তানের অনুসরণ করে তারা পরস্পরে কোনাে প্রকার শরয়ী কারণ ব্যতীত সম্পর্ক ছিন্ন করে। আর কখনাে কখনাে সম্পর্ক ছিন্নতার মেয়াদ দীর্ঘায়িত হয়। আবার কখনাে এমন কসম করে
বসে যে, অমুকের সাথে আর কথাই বলব না এবং মান্নত করে যে অমুকের বাসায় যাব না এবং যখন রাস্তায় তার সাথে দেখা হয় তখন মুখ ফিরিয়ে চলে যায়। অথচ এ ব্যাপারে ইসলাম কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। হযরত আবু হুরায়রা (রা.)
থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,
যেকোনাে মুসলমানের জন্য তার ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন করা বৈধ নয়। সুতরাং যে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন করল অতঃপর মারা যায় সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। (আবু দাউদ : ৫/২১৫)
মুসলমানদের মধ্যকার মুহাব্বত ছিন্ন
হওয়ার বিশেষ একটা খারাপ দিক হলাে আল্লাহর ক্ষমা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়া। কেননা হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, প্রতি সপ্তাহে দুই দিন বান্দার আমল (আল্লাহর নিকট) পেশ করা হয়। অতঃপর সমস্ত মুমিন বান্দাকে মাফ করে দেওয়া হয়। তবে ওই বান্দাকে মাফ করা হয় না, যার মাঝে ও অন্যের মাঝে শক্রতা ও বিদ্বেষ থাকে।সুতরাং বলা হয়, তাদের আমলনামাকে ওই অবস্থায় ছেড়ে দাও যতক্ষণ পর্যন্ত তারা উভয়ে মারা যায় অথবা আপস করে নেয়। (সহীহ মুসলিম : ১৯৭৭)
তাই মুসলমানদের মাঝে পরস্পর কথা বন্ধ রাখা অনেক বড় গােনাহ। চাই সে পুরুষ হােক বা নারী। তবে পুরুষদের তুলনায় তুচ্ছ কারণে
কথা বন্ধ রাখার প্রবণতা নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এই অপরাধ যার থেকেই হোক তার দায়িত্ব সে ব্যক্তি খালেস দিলে তাওবা করবে। উক্ত ভাইয়ের/বােনের নিকট যাবে এবং তার সাথে সালাম বিনিময় করবে। সুতরাং সে যদি সালাম বিনিময় করতে যায় কিন্তু অপর জন যদি না করে তাহলে তাওবাকারী দায়িত্বমুক্ত হয়ে যাবে। দায়ী থাকবে অপরজন। অবশ্য যে ক্ষেত্রে কোনাে শরয়ী কারণ পাওয়া যাবে যেমন-নামায না পড়া, অথবা গােনাহের কাজ বারবার করা। এ ক্ষেত্রে যদি তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সে তাওবা করে ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে তাহলে তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা ওয়াজিব। তবে যদি তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সে আরাে বড় গােনাহে লিপ্ত হওয়ার আশংকা থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রেও তার সাথে সম্পর্ক

অনেক মূল্যবান কথা।
ReplyDeletePost a Comment