নারীদের ভয়ংকর দশটি গুনাহের মধ্যে চতুর্থ এই :- খাটো, পাতলা এবং টাইট পােশাক
পরিধান করা ।
মাহরাম থেকে নারীদের জন্য মুখমণ্ডল, হাতের কব্জি ও পায়ের পাতা ছাড়া অবশিষ্ট পূর্ণ শরীর ঢেকে রাখা ফরয অনুরূপভাবে গায়রে মাহরাম ও পরপুরুষের সামনে মুখমণ্ডলসহ গােটা শরীর টিলা কাপড় দ্বারা আবৃত রাখা জরুরি। বর্তমান যুগে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মহিলাদের সাথে মুসলিম নারীদের পােশাক একাকার হয়ে গেছে। আজ মুসলিম নারীরাও এমন পােশাক পরিধান করছেন, যার মাধ্যমে সতর পরিমাণও ঢাকে না। উপরন্তু সেগুলাে অত্যন্ত পাতলা
ও টাইট। তার মধ্যে তাে কিছু কিছু
পােশাক এমনও আছে, যেগুলাে পরিধান করে বাইরে যাওয়া তাে দূরের কথা বরং অন্য মাহরাম এবং মহিলাদের সামনেও পরিধান করা যায় না। সমঅধিকার ও নারী অধিকারের নামে কেউ কেউ তাে হাফ প্যান্ট, গেঞ্জি পরছে। আবার
অনেকে স্বামী বা পরিবার থেকে বােরকা পরার চাপ থাকার কারণে এমন টাইট-ফিটিং বােরকা পরছে যাতে শরীরের অঙ্গসমূহ পরিস্ফুটিত হয়ে যায়। ইসলামে এর সবটাই নিষিদ্ধ। নবীজি (সা.) শেষ যামানার এমন নগ্নজাতীয় পােশাকের আবির্ভাব সম্পর্কে বলেছেন, দুই ধরনের জাহান্নামীদের আমি এখনাে দেখিনি। একদল হলাে, যাদের সাথে গরুর লেজের ন্যায় চাবুক থাকবে, তা দিয়ে তারা লােকজনকে পিটাবে। আর একদল স্ত্রীলােক, যারা বস্ত্র
পরিহিত হয়েও নগ্ন থাকবে। যারা
(অন্যদেরকে নিজেদের প্রতি)
আকর্ষণকারিণী এবং (নিজেরাও অন্যদের প্রতি) আকৃষ্ট। তাদের মাথার চুল হবে উটের হেলে পড়া কুঁজের ন্যায়। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। এমনকি তার খােশবুও পাবে না। অথচ এত এতদূর
থেকে তার খােশবু পাওয়া যায়।
(মুসলিম, হা: নং-২১২৮)
নিষিদ্ধ পােশাকের মধ্যে ওই সব
পােশাকও অন্তর্ভুক্ত, যে পােশাকগুলাে নিচের দিক থেকে লম্বাভাবে খােলা থাকে অথবা যেগুলাে বিভিন্ন দিক থেকে ছেঁড়া-ফাড়া থাকে। কেননা এ ধরনের পােশাক পরিধান করে যখন কেউ বসে তখন তার সতর খুলে যায়, সাথে সাথে এগুলাে কাফেরদের পােশাকের সাথেও সাদৃশ্য রাখে, যে ব্যাপারে নবীজি (সা.) আমাদের নিষেধ করেছেন। আল্লাহ
তাআলা আমাদের সুস্থ রুচি দান করুন।
আমীন।

Post a Comment