খেয়ানত ও তার নানা রুপ

 খেয়ানত ও তার নানা রুপ। 


عن أبي هريرة رضي الله عنه، عن البي

صلى الله عليه وسلم قال " : آية المنافق

ثلاث : إذا حدث كذب، وإذا اؤتمن

خان، وإذا وعد أخلف "وفي رواية وإن

ام ولی ويزعم أنه مسلم

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত

রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন,

মুনাফিকের আলামত তিনটি- যখন কথা

বলে মিথ্যা বলে, যখন ওয়াদা করে তা

ভঙ্গ করে , আর আমানত রাখা হলে

তাতে খেয়ানত করে। এক বর্ণনায়

আছে, যদিও সে রােজা রাখে, নামায

পড়ে এবং দাবি করে সে মুসলিম ।

মহানবী (সা.) এ হাদীসে মুনাফিকের

তিনটি আলামত বর্ণনা করেছেন। এর

দ্বারা বােঝাচ্ছেন যে এ তিনটি কোনাে

মুমিনের কাজ হতে পারে না। এগুলাে

যার মধ্যে পাওয়া যাবে, তাকে সত্যিকার

অর্থে মুসলিম ও মুমিন বলা যায় না।

আলামত তিনটি সম্পর্কে আলােচনা

চলছে। দুটি সম্পর্কে আলহামদুলিল্লাহ

পূর্বের দুই জুমু'আয় কিছুটা বিস্তারিত

আলােচনা হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা

আমাদেরকে তার ওপর আমল করার

তাওফীক দান করুন।

আমানতদারির গুরুত্ব :

মুনাফিকের তৃতীয় আলামত বলা হয়েছে

আমানতের খেয়ানত করা। অর্থাৎ

আমানতের খেয়ানত করা কোনাে

মুমিনের কাজ নয়। তা কেবল মুনাফিকই

করতে পারে। বহু আয়াত ও হাদীসে

আমানত রক্ষার প্রতি গুরুত্বারােপ করা হয়েছে এবং জোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

যেন মুমিনগণ আমানতদারির প্রতি

বিশেষ যত্নবান থাকে এবং তার

দাবিসমূহ যথারীতি আদায় করে ,

কোরআন মাজীদে আল্লাহ তা'আলা

ইরশাদ করেন,

إن الله يأمركم أن تؤدوا الأمانات إلى

أهلها وإذا گمم بين الناس أن

تحموا بالعدل

আল্লাহ তা'আলা তােমাদেরকে আদেশ

করেছেন, আমানতসমূহ তার হকদারকে

দিয়ে দাও।

এক হাদীসে নবী (সা.) বলেন,

الا ایمان لمن لا امانت له

যে ব্যক্তির আমানতদারি নেই, তার

ঈমান নেই।

অর্থাৎ ঈমানের অপরিহার্য দাবি হলাে,

মুমিন ব্যক্তি অবশ্যই আমানতদার ও

বিশ্বস্ত হবে, সে কখনাে আমানতের

খেয়ানত করবে না।

ইসলামে আমানতের ধারণা ।

আজকের আলােচনায় আমি মূলত একটা

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ

করতে চাচিচ্ছ। বিষয়টি হচ্ছে, আমরা

ইসলামের বিভিন্ন বিষয়কে অত্যন্ত সীমিত

অর্থে গ্রহণ করছি। এই আমানতের

কথাই ধরুন না। আমরা মনে করি এর

সম্পর্ক কেবল টাকা-পয়সার সাথে। কেউ

কিছু টাকা এনে বলল , এটা আপনার

কাছে আমানত রাখুন। আমার যখন

দরকার হবে আপনার কাছ থেকে নিয়ে

নেব। ব্যস, এটা আমানত। কেউ যদি

এতে খেয়ানত করে, নিজে সে টাকা হজম করে ফেলে বলক এসে যখন

তা ফেরত চায় বন দিতে হক

করে, তবে সে হয় যে শতনী।

ধারণা ব্যস এতটুকুই। এ ব্যাপারে

আমরা এর বেশি কিছু ভাবি না। সন্দেহ

নেই এটাও আমানত ও খোশত র

কোরআন-হাদীসের দৃষ্টিতে আমানত

এরই মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এর

সীমারেখা অনেক বিস্তৃত। আরাে অনেক

জিনিসই আমানতের অতর্ভুজ,

যেগুলােকে সংত অমর অমত্তে

মধ্যে গণ্য কর না। ফলে সে বারে

আমরা ইয়াহ বুমের অবহেলা করে

থাকি। অথছ সেগুলোও আমাশত এবং

সেই গুরুত্বের সাথেই সেগুলো দেখা

উচিত। 

চলবে ইংশা আল্লাহ

Post a Comment

Previous Post Next Post